খেলাধুলার উন্নয়নে জঙ্গল মহলকে গুরুত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ছত্রধর মাহাতো
দি নিউজ লায়নঃ ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের ছোট ঝরিয়া আদিবাসী পন্ডিত রঘুনাথ মুরমু ক্লাবের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সমাজসেবী সুমন সাহু। মোট ১৬ টি দল ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বৃহস্পতিবার ছিল পাতা নাচের অনুষ্ঠান। পাতা নাচ প্রতিযোগিতায়১৫ টি দল অংশগ্রহণ করে। ফুটবল প্রতিযোগিতায় জয়ী ও বিজয়ী দলের হাতে এবংপাতা নাচ প্রতিযোগিতায় জয়ী ও বিজয়ীদের হাতে বৃহস্পতিবার পুরস্কার তুলে দেওয়ার জন্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার ওই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো,সমাজ সেবি সুমন সাহু, নয়াগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঞ্চিতা ঘোষ ও শিশু কল্যাণ বিভাগের সদস্যা নিয়তি মাহাতো সহ আরো অনেকে। ওই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো ফুটবল প্রতিযোগিতার সকল প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং পাতা নাচ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সকল পাতা নাচ দলের হাতে তিনি পুরস্কার তুলে দেন। এরপর তিনি তার ভাষণে বলেন জঙ্গলমহলের খেলাধুলার উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
তাই তিনি জঙ্গলমহল কাপ চালু করেছেন ।যার মাধ্যমে জঙ্গলমহলে খেলাধুলার উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি জঙ্গলমহলের প্রতিভাকে তুলে ধরার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি ক্লাবগুলিকে টাকা দিয়েছেন যাতে ক্লাব গুলি এলাকার ছেলে মেয়েদের নিয়ে খেলাধুলার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেই সঙ্গে তিনি বলেন জঙ্গলমহলের হারিয়ে যাওয়া লোক সংস্কৃতিকে মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিল্পীদের ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। যার ফলে লোক শিল্পীরা বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছেন।
অথচ ৩৪ বছর এই জনজাতি মানুষের ভোটে যারা ক্ষমতায় ছিল,তারা জনজাতি মানুষদের জন কিছুই করেনি, তারা জনজাতি মানুষদের জন্য কোন উন্নয়ন করেনি এবং কোনদিনই কিছু করার জন্য ভাবেনি,কেবল মাত্র শোষণ করেছে। একমাত্র রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনজাতি মানুষদের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেন স্থায়ীভাবে যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী দিনেও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকেন তার জন্য ক্লাবগুলিকে তিনি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং ওই এলাকার সর্বস্তরের মানুষকে বাংলার উন্নয়নের কান্ডারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এদিনের অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষ সামিল হয়েছিলেন যা দেখে খুশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই।

Post a Comment